মেসওয়াক করার ২৩ টি উপকারিতা। Hossain islamic Tips


 মেসওয়াক করার ২৩ টি উপকারিতা।

প্রতিবার অজু করার পূর্বে মিসওয়াক করা সুন্নাত । নিয়মিত মিসওয়াক করলে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভ হয় এবং মেধাশক্তি বৃদ্ধি পায় । মিরকাত গ্রন্থে মিসওয়াকের ৭০ টির অধিক ফায়দার কথা বলা হয়েছে । তার মধ্যে সর্বনিম্ন ফায়দা হলো , মৃত্যুর সময় কালিমায়ে শাহাদাৎ নসীৰ হয় । ( মিরাত -২ / ৩ ) 



মেসওয়াকের ২৩ টি উপকারিতা।

 ০১. মিসওয়াক করলে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হয় ।
 ০২. প্রিয় নবীর সুন্নাত আদায় হয়
 ০৩. ফেরেশতাগণ খুশী হন 
০৪. সালাতে সওয়াব বেশী হয় 
০৫. দাঁতের সবুজ রং দূর হয়।
০৬. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায় ।
 ০৭. দাঁতের মাড়ি শক্ত হয় 
০৮. মুখ পরিস্কার হয়
 ০৯. মুখের কফ দূর হয় 
১০. পাকস্থলী ঠিক হয় 
১১. আত্মা ও কৃপৰ নুরাণী হয় 
১২. চেহারায় জ্যাতি বৃদ্ধি পায় 
১৩. হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় 
১৪. অধিক সন্তান জন্ম নেয় 
১৫. মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় 
১৬. মেধাশক্তি বৃদ্ধি পায় 
১৭. শরীরের রোগ দূর হয় 
১৮. যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায় 
১৯. জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় 
২০. জাহান্নামের দরোজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় 
২১. আমলনামা ডান হাতে নেয়া হবে 
২. পুলসিরাত সহজে পার হওয়া যাবে 
২৩. মৃত্যুর সময় কালিমা নসীব হবে । ( ফাতওয়ায়ে শামী , আহসানুল ফাতওয়া তোহফাতুল বারী শরহে সহীহ বুখারী -১ / ২৪৯ , ইত্যাদি গ্রন্থ থেকে সংকলিত ) 

মাসআলা: রোযা অবস্থায় মিসওয়াক করা জায়েয এবং পাঁচ অজুর সময় মিসওয়াক করা সুন্নাতও বটে । এতে রোযার কোনো ক্ষতি নেই । তবে মিসওয়াকের আঁশ যদি গলার ভিতর চলে যায় এবং তা ' চনাবুটের ' চেয়ে বেশী হয় তাহলে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে । আর ' চনাবুট ' থেকে ছোট হলে কোন অসুবিধা নেই । ( আহসানুল ফাতওয়া -৪ / ৩৫ ) 

মাসআলা : হায়েয , নিফাস ও জুনুরী অবস্থায়ও মিসওয়াক করবে । এতে কোনো অসুবিধা নেই এবং কোনো গুনাহও নেই । হজের মৌসুমে ইহরাম অবস্থায়ও মিসওয়াক করবে । এতে হজের কোনো ক্ষতি হবে না । ( আহসানুল ফাতওয়া -৪/৪৩৫)

মাসআলা:  যদি মিসওয়াক না থাকে তবে বিকল্প হিসেবে ব্রাশ - পেষ্ট ইত্যাদি ব্যবহার করার অনুমতি আছে । এতে মেসওয়াকের সুন্নাত আদায় না হলেও মুখ । পরিস্কার করার সুন্নাত আদায় হবে । ( তোহফাতুল বারী শরহে সহীহ বুখারী -১ / ২৪৬ )

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url