হজের ফরজ ও ওয়াজিব | সম্পূর্ণ গাইড
হজের ফরজ ও ওয়াজিব: সম্পূর্ণ গাইড এবং হাজীদের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান
ভূমিকা
হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম এবং প্রতিটি সামর্থ্যবান মুসলমানের জীবনে একবার পালন করা ফরজ। হজ পালনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে যা ফরজ এবং কিছু কাজ ওয়াজিব। ফরজ কাজগুলো না করলে হজ সম্পূর্ণ হয় না, আর ওয়াজিব কাজ বাদ পড়লে দম বা কুরবানি দিতে হয়। হজে যাওয়ার আগে এই বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে জানা অত্যন্ত জরুরি যাতে হজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায়। অনেকে হজে গিয়ে ফরজ-ওয়াজিব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় ভুল করে বসেন। এই লেখায় আমরা হজের ফরজ ও ওয়াজিব কাজগুলো বিস্তারিত আলোচনা করব যা আপনার হজ পালনে সহায়ক হবে এবং হজের মূল উদ্দেশ্য বুঝতে সাহায্য করবে।
হজ কী এবং কার উপর ফরজ
হজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে মক্কার কাবা শরিফ ও তার আশেপাশের নির্দিষ্ট স্থানে কিছু বিশেষ ইবাদত পালন করা। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন যে যার সামর্থ্য আছে তার উপর হজ পালন করা ফরজ। এটি ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি এবং জীবনে একবার আদায় করা বাধ্যতামূলক।
হজ ফরজ হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। প্রথমত, ব্যক্তিকে মুসলমান হতে হবে। দ্বিতীয়ত, বালেগ বা প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। তৃতীয়ত, সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে। চতুর্থত, আর্থিকভাবে সক্ষম হতে হবে অর্থাৎ হজের খরচ বহন করার পর পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
পঞ্চম শর্ত হলো শারীরিকভাবে সক্ষম হওয়া। যদি কেউ এত অসুস্থ যে হজ করতে পারবে না, তাহলে তার উপর হজ ফরজ নয়। ষষ্ঠ শর্ত হলো পথ নিরাপদ হওয়া। যদি যাত্রাপথে প্রাণ বা সম্পদের ভয় থাকে, তাহলে হজ পিছিয়ে দেওয়া যায়।
মহিলাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শর্ত হলো মাহরাম বা নিকট আত্মীয় পুরুষের সাথে যাওয়া। একা হজে যাওয়া মহিলাদের জন্য শরিয়ত অনুমোদন করে না। এই শর্তগুলো পূরণ হলে হজ ফরজ হয় এবং বিলম্ব না করে সামর্থ্য অনুযায়ী হজ আদায় করা উচিত।
হজের ফরজ কাজসমূহ
হজের মূলত তিনটি ফরজ কাজ রয়েছে যেগুলো না করলে হজ সম্পূর্ণ হয় না এবং কোনো কাফফারা বা বিকল্প নেই। প্রথম ফরজ হলো ইহরাম বাঁধা। ইহরাম ছাড়া হজ শুরুই হয় না। নির্দিষ্ট মিকাত বা স্থান থেকে হজের নিয়ত করে ইহরাম বাঁধতে হয়। পুরুষদের জন্য দুই খণ্ড সেলাইবিহীন কাপড় পরা এবং মহিলাদের জন্য সাধারণ পর্দার পোশাক পরিধান করে ইহরামের নিয়ত করা।
দ্বিতীয় ফরজ হলো আরাফার ময়দানে অবস্থান করা। জিলহজ মাসের ৯ তারিখ জোহর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করা হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুকন। হাদিসে বলা হয়েছে যে হজ হলো আরাফা। যদি কেউ এই দিন আরাফায় না থাকে, তাহলে তার হজ হবে না। এমনকি কয়েক মিনিটের জন্য হলেও আরাফায় অবস্থান করা জরুরি।
তৃতীয় ফরজ হলো তাওয়াফে জিয়ারত বা তাওয়াফে ইফাদা। ১০ জিলহজ কুরবানির দিন থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগে কাবা শরিফের সাত চক্কর লাগানো ফরজ। এই তাওয়াফ ছাড়া হজ সম্পূর্ণ হয় না। এই তিনটি ফরজ কাজ সম্পন্ন করলেই মূলত হজ আদায় হয়ে যায় বলে বিবেচিত হয়, তবে পূর্ণাঙ্গ হজের জন্য ওয়াজিব ও সুন্নত কাজগুলোও করা উচিত।
হজের ওয়াজিব কাজসমূহ
হজের ছয়টি প্রধান ওয়াজিব কাজ রয়েছে যেগুলো না করলে দম বা কুরবানি দিতে হয়। প্রথম ওয়াজিব হলো সাফা-মারওয়া সাঈ করা। সাফা পাহাড় থেকে শুরু করে মারওয়া পাহাড় পর্যন্ত সাতবার দৌড়ানো বা হাঁটা। এটি হাজেরা (আ.) এর স্মৃতি রক্ষার্থে করা হয় যখন তিনি শিশু ইসমাইল (আ.) এর জন্য পানি খুঁজছিলেন।
দ্বিতীয় ওয়াজিব হলো মুজদালিফায় অবস্থান করা। ৯ জিলহজ রাতে আরাফা থেকে ফিরে মুজদালিফায় রাত্রিযাপন করা বা কিছু সময় অবস্থান করা ওয়াজিব। এখানে ফজরের নামাজ পড়া এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য কংকর সংগ্রহ করা হয়।
তৃতীয় ওয়াজিব হলো জামরায় পাথর নিক্ষেপ করা। মিনায় তিনটি স্তম্ভে নির্দিষ্ট সংখ্যক কংকর নিক্ষেপ করা হয়। ১০ জিলহজ শুধু বড় জামরায়, ১১ ও ১২ জিলহজ তিনটি জামরায় পাথর মারা ওয়াজিব। এটি ইবরাহিম (আ.) এর শয়তান বিতাড়নের স্মৃতি।
চতুর্থ ওয়াজিব হলো মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করা। পুরুষদের জন্য মাথা মুণ্ডানো উত্তম এবং মহিলাদের জন্য চুলের এক আঙুল পরিমাণ কাটা যথেষ্ট। পঞ্চম ওয়াজিব হলো তাওয়াফে বিদা বা বিদায়ী তাওয়াফ করা। মক্কা ছেড়ে যাওয়ার আগে শেষবারের মতো কাবা তাওয়াফ করা। ষষ্ঠ ওয়াজিব হলো মিকাত থেকে ইহরাম বাঁধা। যদি মিকাত পার হয়ে ইহরাম বাঁধা হয়, তাহলে দম দিতে হবে।
হজের প্রকারভেদ ও তাদের বিধান
হজ মূলত তিন প্রকার: ইফরাদ, তামাত্তু এবং কিরান। প্রতিটির নিয়ম ও বিধান আলাদা। ইফরাদ হজ হলো শুধুমাত্র হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধা এবং হজ সম্পন্ন করা। এতে কুরবানি করা জরুরি নয়। এই হজে শুধু হজের কাজগুলো করা হয় এবং উমরা আলাদা।
তামাত্তু হজ হলো প্রথমে উমরা করা, তারপর ইহরাম খুলে স্বাভাবিক পোশাক পরা এবং হজের দিনগুলোতে আবার ইহরাম বেঁধে হজ করা। এই পদ্ধতিতে একই সফরে উমরা ও হজ দুটোই আদায় হয়। তামাত্তু হজকারীকে অবশ্যই কুরবানি করতে হয় যাকে দমে শোকর বলা হয়।
কিরান হজ হলো একসাথে হজ ও উমরার নিয়ত করে ইহরাম বাঁধা এবং হজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইহরাম না খোলা। এতেও কুরবানি করা ওয়াজিব। বর্তমানে বেশিরভাগ হাজী তামাত্তু হজ করেন কারণ এটি সহজ এবং সুবিধাজনক।
বাস্তব উদাহরণ: করিম সাহেব গত বছর প্রথমবার হজে গিয়েছিলেন। তিনি তামাত্তু হজ করেন। প্রথমে উমরা করে ইহরাম খুলে ফেলেন এবং ৮ জিলহজ আবার ইহরাম বেঁধে হজের কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন, "তামাত্তু হজ করা সহজ ছিল কারণ উমরার পর কিছুদিন স্বাভাবিক পোশাক পরে বিশ্রাম নিতে পেরেছিলাম। এরপর হজের দিনগুলোতে শক্তি পেয়েছি।"
হজে ভুল হলে কী করবেন
হজ পালনের সময় অনেকের ভুল হতে পারে। কিছু ভুল ক্ষমাযোগ্য এবং কিছু ভুলের জন্য দম বা কাফফারা দিতে হয়। যদি কোনো ওয়াজিব কাজ ছুটে যায়, তাহলে মক্কায় একটি ছাগল বা ভেড়া কুরবানি করে দম দিতে হয়। এই কুরবানির গোশত গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে হয় এবং নিজে খাওয়া যায় না।
যদি ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ করা হয় যেমন সেলাই করা কাপড় পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, চুল বা নখ কাটা, তাহলে এর জন্য সদকা বা দম দিতে হয়। ভুলের মাত্রা অনুযায়ী কাফফারা ভিন্ন হয়। ছোট ভুলের জন্য সদকাতুল ফিতর পরিমাণ সদকা এবং বড় ভুলের জন্য দম দিতে হয়।
যদি আরাফায় অবস্থান মিস হয়ে যায়, তাহলে সেই বছর হজ হবে না এবং পরের বছর আবার হজ করতে হবে। কারণ আরাফা হজের ফরজ এবং এর কোনো বিকল্প নেই। তাই আরাফার দিন বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
যদি তাওয়াফে জিয়ারত নির্দিষ্ট সময়ে না করা হয়, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করে নিতে হবে এবং দম দিতে হতে পারে। সাঈ যদি ছুটে যায়, তাহলে যেকোনো সময় করা যায় কিন্তু দম দিতে হবে। হজের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে ভালো করে জানা এবং অভিজ্ঞ লোকের সাথে থাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
হজের প্রস্তুতি ও পরামর্শ
হজে যাওয়ার আগে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত, হজের মাসায়েল ভালোভাবে শিখে নিন। বই পড়ুন, ভিডিও দেখুন এবং যারা হজ করেছেন তাদের থেকে অভিজ্ঞতা শুনুন। হজ মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অংশ নিন যেখানে হজের নিয়ম-কানুন শেখানো হয়।
দ্বিতীয়ত, শারীরিকভাবে প্রস্তুত হন। হজ শারীরিকভাবে কষ্টসাধ্য তাই আগে থেকে হাঁটাহাঁটি করে শরীর মজবুত করুন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে নিন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সাথে নিন। বয়স্কদের জন্য হুইলচেয়ার বা অন্য সাহায্য নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।
তৃতীয়ত, আর্থিক প্রস্তুতি নিন। হালাল উপার্জন থেকে হজের খরচ করুন। পরিবারের জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা রেখে যান। সব ঋণ পরিশোধ করে যান এবং যদি কারো হক থাকে তা আদায় করে নিন।
চতুর্থত, মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি নিন। হজ শুধু একটি ভ্রমণ নয়, এটি আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের একটি সুযোগ। তাই পবিত্র মনে হজে যান। সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন এবং ভালো নিয়তে হজ করুন।
বাস্তব উদাহরণ: ফাতিমা বেগম হজে যাওয়ার ছয় মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। তিনি হজের বই পড়েন, প্রশিক্ষণে যান এবং প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা অভ্যাস করেন। তিনি বলেন, "ভালো প্রস্তুতির কারণে হজে কোনো সমস্যা হয়নি এবং সব কাজ সহজে করতে পেরেছি। প্রস্তুতি হজকে আরও অর্থবহ করে তোলে।"
উপসংহার
হজ একজন মুসলমানের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর একটি। হজের ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে হজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। তিনটি ফরজ - ইহরাম, আরাফায় অবস্থান এবং তাওয়াফে জিয়ারত - অবশ্যই পালন করতে হবে। ওয়াজিবগুলো পালন করার চেষ্টা করা উচিত এবং ছুটে গেলে দম দিতে হবে।
আসুন, আমরা হজে যাওয়ার আগে ভালো প্রস্তুতি নিই। হজের নিয়ম-কানুন শিখি এবং বুঝে-শুনে হজ করি। হজ শুধু একটি রীতি পালন নয়, বরং আল্লাহর ঘরে যাওয়া এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি সুযোগ। যারা এখনো হজে যাননি কিন্তু সামর্থ্য আছে, তারা যেন বিলম্ব না করেন।
হজ থেকে ফিরে এসে জীবনে পরিবর্তন আনা উচিত। পাপ থেকে দূরে থাকা, নিয়মিত ইবাদত করা এবং মানুষের সেবা করা - এগুলো হজের শিক্ষা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক নিয়মে হজ করার এবং মাবরুর হজ অর্জনের তওফিক দান করুন। আমীন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
১. হজের কোন কাজটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বাদ দিলে হজ হবে না?
হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে অবস্থান করা। হাদিসে বলা হয়েছে যে হজ হলো আরাফা। যদি কেউ এই দিন নির্দিষ্ট সময়ে আরাফায় উপস্থিত না হয়, তাহলে তার হজ হবে না এবং পরের বছর আবার হজ করতে হবে। এছাড়া ইহরাম বাঁধা এবং তাওয়াফে জিয়ারত করাও ফরজ যা ছাড়া হজ সম্পূর্ণ হয় না। এই তিনটি ফরজের কোনো বিকল্প বা কাফফারা নেই।
২. হজের ওয়াজিব কাজ বাদ পড়লে কী করতে হবে?
হজের কোনো ওয়াজিব কাজ বাদ পড়লে দম দিতে হয় অর্থাৎ মক্কার হারাম এলাকায় একটি ছাগল বা ভেড়া কুরবানি করতে হয়। এই কুরবানির গোশত গরিব-মিসকিনদের মধ্যে বিতরণ করতে হয় এবং নিজে খাওয়া যায় না। যেমন সাফা-মারওয়া সাঈ না করলে, মুজদালিফায় অবস্থান না করলে বা পাথর নিক্ষেপ ছুটে গেলে দম দিতে হবে। যদি একাধিক ওয়াজিব ছুটে যায় তাহলে প্রতিটির জন্য আলাদা দম দিতে হতে পারে।
৩. তামাত্তু এবং কিরান হজের মধ্যে পার্থক্য কী?
তামাত্তু হজে প্রথমে উমরার নিয়তে ইহরাম বাঁধা হয়, উমরা শেষ করে ইহরাম খুলে স্বাভাবিক পোশাক পরা হয় এবং ৮ জিলহজ আবার হজের জন্য ইহরাম বাঁধতে হয়। আর কিরান হজে একসাথে হজ ও উমরার নিয়ত করে ইহরাম বাঁধা হয় এবং হজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইহরাম খোলা যায় না। উভয় পদ্ধতিতেই কুরবানি করা ওয়াজিব। তামাত্তু হজ বেশি সুবিধাজনক কারণ উমরার পর বিশ্রাম নেওয়া যায়।
৪. মহিলাদের হজে যাওয়ার জন্য কী শর্ত রয়েছে?
মহিলাদের হজে যাওয়ার জন্য মাহরাম বা নিকট আত্মীয় পুরুষের সাথে যাওয়া শর্ত। মাহরাম হলো যাদের সাথে বিয়ে চিরতরে হারাম যেমন বাবা, ভাই, ছেলে, চাচা, মামা ইত্যাদি। স্বামীও মাহরামের মধ্যে পড়ে। মহিলারা একা বা শুধু অন্য মহিলাদের সাথে হজে যেতে পারবে না। এছাড়া হজের সময় মহিলাদের হায়েজ-নেফাস থেকে পবিত্র থাকতে হবে তাওয়াফ ও সাঈ করার জন্য। তবে আরাফায় অবস্থান এবং অন্যান্য কাজ এই অবস্থায়ও করা যায়।
৫. হজ থেকে ফিরে এসে কী কী করা উচিত?
হজ থেকে ফিরে প্রথমেই দুই রাকাত শুকরিয়ার নামাজ পড়া উচিত। পরিবার ও বন্ধুদের জন্য জমজম পানি এবং খেজুর নিয়ে আসা সুন্নত। হজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা এবং অন্যদের উৎসাহিত করা ভালো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো হজের শিক্ষা জীবনে প্রয়োগ করা - পাপ থেকে দূরে থাকা, নিয়মিত ইবাদত করা, মানুষের সেবা করা এবং ভালো চরিত্রের অধিকারী হওয়া। হজ একটি নতুন জীবনের শুরু হওয়া উচিত।
