🛍️

Islamic Shopping

ইসলামিক জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সুন্দর পণ্য

View All →
Featured Islamic Prayer Mat

Premium Islamic Prayer Mat

আরামদায়ক ও সুন্দর ডিজাইনের নামাজের জায়নামাজ।

Check Price →
Popular Digital Tasbih

Digital Tasbih

দৈনন্দিন জিকির গণনার জন্য ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল তাসবিহ।

Check Price →
Wooden Quran Stand

Wooden Quran Stand

কুরআন পড়ার সময় ব্যবহারের জন্য সুন্দর কাঠের স্ট্যান্ড।

Check Price →
Gift Islamic Gift

Islamic Gift Collection

পরিবার ও প্রিয়জনের জন্য সুন্দর ইসলামিক উপহার।

Check Price →
Affiliate Disclosure: এই Shopping Section-এর কিছু লিংক affiliate link হতে পারে। আপনি এসব লিংকের মাধ্যমে কোনো পণ্য কিনলে আপনার অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই আমরা কমিশন পেতে পারি।

দোয়া কুনুত না পারলে বিতর নামাজ পড়ার সঠিক পদ্ধতি

দোয়া কুনুত না পারলে বিতর নামাজ কিভাবে পড়বেন? সঠিক পদ্ধতি ও বিকল্প দোয়া

dua qunut na parle bitor namaz porar niyom - rater alote masjide jaynamaz o tasbih

ভূমিকা

এশার নামাজ শেষ করে বিতর পড়তে দাঁড়িয়েছেন। তৃতীয় রাকাতে এসে মনে পড়ল, দোয়া কুনুত তো এখনো পুরোপুরি মুখস্থ হয়নি। অনেকেই এই অস্বস্তি থেকে বিতর নামাজ পড়াই ছেড়ে দেন, বা পড়লেও মনে একটা খটকা থেকে যায়।

আপনি একা নন। নতুন নামাজি, নওমুসলিম কিংবা ছোটবেলায় শেখার সুযোগ পাননি এমন অনেক ভাই-বোনই এই অবস্থার মুখোমুখি হন।

ভালো খবর হলো, ইসলাম মানুষের সামর্থ্যের প্রতি খেয়াল রেখেছে। দোয়া কুনুত মুখস্থ না থাকলেও বিতর নামাজ আদায়ের সহজ পথ আলেমগণ দেখিয়েছেন। এই লেখায় আমরা কুরআন, হাদীস ও ফিকহের আলোকে জানব, এ অবস্থায় বিতর কিভাবে পড়বেন, কোন বিকল্প দোয়া পড়া যায়, আর ধীরে ধীরে কিভাবে দোয়া কুনুত শিখে নেওয়া যায়।

১. বিতর নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত

বিতর অর্থ বেজোড়। রাতের নামাজকে বেজোড় সংখ্যায় শেষ করার জন্য এই নামাজ পড়া হয়। হাদীসে এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সুনানে আবু দাউদ (১৪১৬) ও জামে তিরমিযীর (৪৫৩) হাদীসে নবীজি (সা.) কুরআনের অনুসারীদের বিতর পড়তে বলেছেন এবং জানিয়েছেন, আল্লাহ বেজোড়, তিনি বেজোড়কে ভালোবাসেন।

সহিহ বুখারী (৯৯৮) ও সহিহ মুসলিমের (৭৫১) হাদীসে এসেছে, রাতের শেষ নামাজ যেন বিতর হয়। এ কারণে অনেকে এশার পরপরই বিতর পড়ে নেন, আর যারা শেষ রাতে উঠতে অভ্যস্ত, তারা তাহাজ্জুদের পর পড়েন।

বিতরের হুকুম নিয়ে মাযহাবগুলোর মধ্যে কিছু মতপার্থক্য আছে। হানাফি মাযহাবে বিতর ওয়াজিব, আর শাফেয়ি, মালেকি ও হাম্বলি মাযহাবে এটি সুন্নাতে মুয়াক্কাদা, অর্থাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। সব মতেই এটি নিয়মিত আদায় করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। তাই দোয়া কুনুত না জানার কারণে বিতর ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

২. দোয়া কুনুত কী এবং কখন পড়া হয়

"কুনুত" শব্দের একটি অর্থ হলো বিনয়ের সঙ্গে আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে দোয়া করা। বিতর নামাজে নির্দিষ্ট একটি সময়ে এই দোয়া পড়া হয়।

হানাফি মাযহাব অনুযায়ী

বাংলাদেশ ও ভারতীয় উপমহাদেশের বেশিরভাগ মুসলিম হানাফি মাযহাব অনুসরণ করেন। এই মতে বিতর তিন রাকাত, এক সালামে। তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়ার পর রুকুতে যাওয়ার আগে "আল্লাহু আকবার" বলে হাত কান পর্যন্ত তুলে আবার বেঁধে দোয়া কুনুত পড়া হয়। হানাফি মাযহাবে দোয়া কুনুত পড়া ওয়াজিব।

রুকুর আগে কুনুত পড়ার বিষয়ে উবাই ইবনে কা'ব (রা.)-এর বর্ণনা সুনানে নাসায়ী (১৬৯৯) ও সুনানে ইবনে মাজাহতে (১১৮২) এসেছে।

অন্যান্য মাযহাবে

শাফেয়ি ও হাম্বলি মাযহাবে সাধারণত রুকুর পরে দাঁড়িয়ে কুনুত পড়া হয়, এবং অনেক ক্ষেত্রে এটি সুন্নাত হিসেবে গণ্য। আপনি যে মাযহাব বা আপনার এলাকার আলেমদের মত অনুসরণ করেন, সেটাই ধারাবাহিকভাবে মেনে চলা ভালো।

৩. দোয়া কুনুত না পারলে কী পড়বেন: বিকল্প দোয়া

এটাই এই লেখার মূল প্রশ্ন। হানাফি ফিকহের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোতে আলেমগণ বলেছেন, যিনি দোয়া কুনুত এখনো শিখতে পারেননি, তিনি শেখা পর্যন্ত নিচের যেকোনো একটি পড়তে পারেন।

প্রথম বিকল্প: রাব্বানা আতিনা

সূরা আল-বাকারার ২০১ নম্বর আয়াতের দোয়াটি অনেকেরই মুখস্থ থাকে:

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আযাবান নার।

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন।

দ্বিতীয় বিকল্প: আল্লাহুম্মাগফিরলি

"আল্লাহুম্মাগফিরলি" (হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন) তিনবার পড়া।

তৃতীয় বিকল্প: ইয়া রাব্ব

একেবারে নতুনদের জন্য "ইয়া রাব্ব" (হে আমার রব) তিনবার বলার কথাও কোনো কোনো আলেম উল্লেখ করেছেন।

এর মধ্যে প্রথমটি সবচেয়ে উত্তম বিকল্প হিসেবে বিবেচিত, কারণ এটি কুরআনের একটি পূর্ণাঙ্গ দোয়া।

৪. ধাপে ধাপে বিতর নামাজের পদ্ধতি (হানাফি মত)

নিচে তিন রাকাত বিতরের পদ্ধতি সংক্ষেপে দেওয়া হলো, যাতে দোয়া কুনুতের জায়গাটা পরিষ্কার বোঝা যায়।

  1. নিয়ত ও তাকবীর: মনে মনে বিতর নামাজের নিয়ত করে "আল্লাহু আকবার" বলে হাত বাঁধুন।
  2. প্রথম রাকাত: সানা, সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ে রুকু ও দুই সিজদা করুন।
  3. দ্বিতীয় রাকাত: সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়ে রুকু-সিজদা শেষে বসে শুধু তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) পড়ুন, সালাম না ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে যান।
  4. তৃতীয় রাকাত: সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়ুন।
  5. কুনুতের তাকবীর: রুকুতে না গিয়ে "আল্লাহু আকবার" বলে হাত কান পর্যন্ত তুলে আবার বাঁধুন।
  6. দোয়া কুনুত বা বিকল্প দোয়া: দোয়া কুনুত জানা থাকলে সেটি পড়ুন, না জানা থাকলে আগের অংশে উল্লেখিত বিকল্প দোয়া পড়ুন।
  7. শেষ অংশ: রুকু, দুই সিজদা করে বসে তাশাহহুদ, দরুদ ও দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরান।

লক্ষ করুন, পুরো নামাজে শুধু ষষ্ঠ ধাপে দোয়াটা বদলাচ্ছে। বাকি সব পদ্ধতি একই থাকছে।

৫. কুনুত পড়তে ভুলে গেলে বা রুকুতে চলে গেলে

কখনো এমন হয় যে দোয়া কুনুত জানা আছে, কিন্তু অভ্যাসবশত তৃতীয় রাকাতে সরাসরি রুকুতে চলে গেছেন। হানাফি ফিকহ অনুযায়ী এ অবস্থায় যা করণীয়:

  • রুকুতে গিয়ে মনে পড়লে: আবার দাঁড়িয়ে কুনুত পড়ার প্রয়োজন নেই। নামাজ চালিয়ে যান এবং শেষ বৈঠকে সাহু সিজদা আদায় করুন।
  • সাহু সিজদার নিয়ম: শেষ বৈঠকে শুধু তাশাহহুদ পড়ে ডান দিকে এক সালাম ফেরান, তারপর দুটি সিজদা করে আবার বসে তাশাহহুদ, দরুদ ও দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরান।

ভুলবশত কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে সাহু সিজদার মাধ্যমে তা পূরণের শিক্ষা হাদীস থেকেই এসেছে। সহিহ বুখারী (১২২৪) ও সহিহ মুসলিমের (৫৭০) বর্ণনায় আছে, নবীজি (সা.) একবার প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন, পরে নামাজের শেষে দুটি সিজদা করেছিলেন।

সাহু সিজদার পদ্ধতি নিয়েও মাযহাবভেদে সামান্য পার্থক্য আছে। তাই নিজের মাযহাবের নিয়ম একবার নির্ভরযোগ্য আলেমের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত।

৬. ইসলাম সামর্থ্যের বাইরে চাপ দেয় না

দোয়া কুনুত না জানার কারণে অনেকের মনে অপরাধবোধ কাজ করে। কিন্তু ইসলামের মূলনীতি এখানে সান্ত্বনা দেয়।

সূরা আল-বাকারার ২৮৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সূরা আত-তাগাবুনের ১৬ নম্বর আয়াতেও যতটুকু সাধ্য, ততটুকু আল্লাহকে ভয় করার কথা এসেছে।

অর্থাৎ আপনি যদি শেখার চেষ্টায় আছেন এবং ততদিন বিকল্প দোয়া দিয়ে বিতর আদায় করছেন, তাহলে আপনি আপনার সাধ্যমতো চেষ্টাই করছেন। আশা করা যায়, আল্লাহ এই আন্তরিকতাকে মূল্য দেবেন।

তবে এই সুবিধা শুধু শেখার সময়টুকুর জন্য। আলেমগণ জোর দিয়ে বলেছেন, দোয়া কুনুত মুখস্থ করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত, কারণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর না শেখা অবহেলার পর্যায়ে চলে যায়।

৭. দোয়া কুনুত সহজে মুখস্থ করার কৌশল

হানাফি মাযহাবে প্রচলিত দোয়া কুনুতটি নিচে দেওয়া হলো। এটি সাহাবিদের থেকে বর্ণিত বলে প্রসিদ্ধ।

اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ، اللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُو رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ

আরেকটি দোয়া কুনুত নবীজি (সা.) তাঁর নাতি হাসান (রা.)-কে শিখিয়েছিলেন, যা "আল্লাহুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইত" দিয়ে শুরু হয়। এটি সুনানে আবু দাউদ (১৪২৫) ও জামে তিরমিযীতে (৪৬৪) বর্ণিত হয়েছে।

মুখস্থ করার কিছু পরামর্শ

  • দোয়াটি ছোট ছোট অংশে ভাগ করুন এবং প্রতিদিন একটি অংশ মুখস্থ করুন।
  • একজন ভালো ক্বারীর তিলাওয়াত শুনে বারবার সঙ্গে পড়ুন।
  • অর্থ জেনে নিন; অর্থ বুঝলে মনে রাখা সহজ হয়।
  • একটি কাগজে লিখে জায়নামাজের কাছে রাখুন, নামাজের আগে একবার দেখে নিন।
  • উচ্চারণ ঠিক করতে একজন শিক্ষক বা মসজিদের ইমামকে শুনিয়ে নিন।

অনেকে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই এভাবে মুখস্থ করে ফেলেন।

৮. প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

বিতর ও দোয়া কুনুত নিয়ে সমাজে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে, যেগুলো জানা থাকা দরকার।

"দোয়া কুনুত না জানলে বিতর হবেই না"

এটা ঠিক নয়। আগেই বলা হয়েছে, শেখা পর্যন্ত বিকল্প দোয়া পড়ে বিতর আদায় করা যায়। দোয়া না জানার কারণে বিতর একেবারে ছেড়ে দেওয়াই বরং বড় ক্ষতি।

"কাগজ বা মোবাইল দেখে কুনুত পড়া যায়"

হানাফি মাযহাবে নামাজের ভেতরে কিছু দেখে পড়াকে সাধারণত নামাজ নষ্টের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই নামাজের আগে মুখস্থ করার চেষ্টা করুন, নামাজের ভেতরে দেখে পড়বেন না।

"বাংলায় দোয়া কুনুত পড়লে চলবে"

নামাজের ভেতরে দোয়া আরবিতেই পড়ার কথা আলেমগণ বলেছেন। বাংলা অর্থ জানুন, কিন্তু নামাজে আরবি দোয়া বা বিকল্প আরবি দোয়াটি পড়ুন।

এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

উপসংহার

দোয়া কুনুত না জানা কোনো লজ্জার বিষয় নয়, আর এর কারণে বিতর নামাজ ছেড়ে দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। শেখার সময়টুকুতে "রাব্বানা আতিনা" বা "আল্লাহুম্মাগফিরলি" পড়ে বিতর আদায় করা যায়, আর পাশাপাশি ধীরে ধীরে দোয়া কুনুত শিখে নেওয়াই উত্তম পথ।

আজ রাত থেকেই শুরু করতে চাইলে:

  1. আজকের বিতরে দোয়া কুনুতের জায়গায় "রাব্বানা আতিনা..." পড়ুন, তবু বিতর বাদ দেবেন না।
  2. দোয়া কুনুতকে চার-পাঁচটি ছোট অংশে ভাগ করে প্রতিদিন একটি অংশ মুখস্থ করুন।
  3. এক সপ্তাহের মধ্যে মসজিদের ইমাম বা কোনো শিক্ষককে শুনিয়ে উচ্চারণ ঠিক করে নিন।

প্রতিটি চেষ্টা, প্রতিটি নতুন শেখা শব্দ, আল্লাহর কাছে মূল্যবান বলে আশা করা যায়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে নিয়মিত বিতর আদায় এবং দ্বীনের জরুরি বিষয়গুলো সহজে শেখার তাওফিক দান করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. দোয়া কুনুত না পারলে বিতর নামাজে কী পড়ব?

হানাফি আলেমগণের মতে, শেখা পর্যন্ত সূরা আল-বাকারার ২০১ নম্বর আয়াতের দোয়া "রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ..." পড়া যায়। অথবা "আল্লাহুম্মাগফিরলি" তিনবার পড়া যায়। তবে দোয়া কুনুত মুখস্থ করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত।

২. দোয়া কুনুত না জানলে কি বিতর নামাজ হবে না?

বিকল্প দোয়া পড়ে বিতর আদায় করা যায় বলে আলেমগণ উল্লেখ করেছেন। দোয়া না জানার কারণে বিতর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, কারণ হাদীসে বিতর পড়তে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে (আবু দাউদ ১৪১৬)।

৩. ভুলে দোয়া কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে গেলে কী করব?

হানাফি মাযহাব অনুযায়ী, রুকুতে চলে গেলে আর ফিরে আসার প্রয়োজন নেই। নামাজ চালিয়ে যান এবং শেষ বৈঠকে সাহু সিজদা আদায় করুন।

৪. নামাজে কাগজ বা মোবাইল দেখে দোয়া কুনুত পড়া যাবে কি?

হানাফি মাযহাবে নামাজের ভেতরে দেখে পড়াকে সাধারণত নামাজ নষ্টের কারণ বলা হয়েছে। তাই মুখস্থ না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প দোয়া পড়াই নিরাপদ পথ।

৫. দোয়া কুনুত কোন রাকাতে এবং কখন পড়তে হয়?

হানাফি মত অনুযায়ী, বিতরের তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়ার পর, রুকুর আগে তাকবীর দিয়ে হাত তুলে দোয়া কুনুত পড়া হয়। শাফেয়ি ও হাম্বলি মাযহাবে সাধারণত রুকুর পরে পড়া হয়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url